বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিনাজপুরে থানায় জিডি করতে গিয়ে সাংবাদিকের কলার ধরে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে যুবরাজ-বুশরা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আড়াই কোটি টাকার ১০ টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক সর্বকাজের কাজী চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত, দেখার কেউ নেই ভাঙ্গুড়ায় দৈনিক আলোকিত নিউজের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভালুকায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন সাভারে সরকারি ১০০ শতক জমি আত্মসাৎ,রেকর্ড জালিয়াতি, ‘পাতা ছেঁড়া’ রহস্য ও কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে ৮ বাংলাদেশি উদ্ধার, আটক- ২

দিনাজপুরে থানায় জিডি করতে গিয়ে সাংবাদিকের কলার ধরে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় মোবাইল ফোন হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে চরম দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি জাফর ইকবাল।

সোমবার (১৩ই এপ্রিল) সকালে চিরিরবন্দর থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।

লিখিত অভিযোগ ও সাংবাদিকের বর্ণনা অনুযায়ী, সোমবার সকালে মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে জিডি করতে থানায় গেলে প্রথমে তিনি কম্পিউটার অপারেটর মো. সেলিমের কাছে যান। সেখান থেকে তাকে ডিউটি অফিসার মো. আখতারুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়। পরে ডিউটি অফিসার আবার তাকে কম্পিউটার অপারেটরের কাছেই ফিরে যেতে বলেন। এভাবে কয়েক দফা ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে তিনি বিরক্ত হয়ে নিজের সাংবাদিক পরিচয় দেন।

এ সময় ডিউটি অফিসার তার প্রেস আইডি কার্ড দেখতে চান। আইডি কার্ড দেখানো হলে সেটি নিয়ে অফিসারের কক্ষে রেখে দেওয়া হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিবকে ফোনে অবহিত করেন এবং হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ জানান।
এরপর এএসআই আশরাফুল ও এসআই জহুরুল হক ঘটনাস্থলে আসেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে ডিউটি অফিসার আখতারুজ্জামান এসে সাংবাদিক জাফর ইকবালের শার্টের কলার ধরে তাকে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়।

একজন সংবাদকর্মী হয়েও থানায় উপস্থিত সাধারণ মানুষের সামনে এমন আচরণের শিকার হয়ে তিনি চরম অপমান ও লাঞ্ছনার মুখে পড়েন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে বিষয়টি তিনি সহকর্মী সাংবাদিকদের পাশাপাশি স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করেন। তাদের পরামর্শেই জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম বলেন, “খবর পেয়ে আমি চিরিরবন্দর থানায় গিয়ে পুলিশ ও সাংবাদিক—উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page