বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিনাজপুরে থানায় জিডি করতে গিয়ে সাংবাদিকের কলার ধরে লকআপে নেওয়ার চেষ্টা তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির নেতৃত্বে যুবরাজ-বুশরা চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আড়াই কোটি টাকার ১০ টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক সর্বকাজের কাজী চুয়াডাঙ্গার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ভারপ্রাপ্তের ভারে ভারাক্রান্ত, দেখার কেউ নেই ভাঙ্গুড়ায় দৈনিক আলোকিত নিউজের ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভালুকায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির দায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা চুয়াডাঙ্গায় ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্থিরতা, প্রতিবাদে মানববন্ধন সাভারে সরকারি ১০০ শতক জমি আত্মসাৎ,রেকর্ড জালিয়াতি, ‘পাতা ছেঁড়া’ রহস্য ও কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে ৮ বাংলাদেশি উদ্ধার, আটক- ২

মাগুরা জেলাজুড়ে চলছে তুমুল জল্পনা, কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্তমান সময়ে শুধু মহম্মদপুর নয় গোটা মাগুরা জেলাজুড়ে চলছে তুমুল আলোচনা-জল্পনা-কল্পনা আর চুলচেরা বিশ্লেষণ। কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক ?? কার কাঁধে চাপবে এই গুরুভার ? কে হবেন আগামীদিনে মহম্মদপুর উপজেলার সত্যিকারের অভিভাবক ? কার হাত ধরে মহম্মদপুর উপজেলার উন্নয়ন তরান্বিত হবে, প্রকৃত সেবক হিসেবে কে আসবেন, কার দক্ষতা যোগ্যতা ও সততা কেমন, আমজনতার হৃদয়ে কে বেশি পাকাপোক্ত আসন স্থাপনে অগ্রগামী ?? কার হাতের ছোঁয়ায় পাল্টে যাবে গোটা এলাকা, কাকে দায়িত্ব দিলে স্বর্ণালী আলোয় উদ্ভাসিত হবে নিভৃত পল্লী থেকে উপজেলার জিরো পয়েন্ট, এসবই এখন এলাকার একমাত্র আলোচ্য বিষয়।

ফলশ্রুতিতে মহম্মদপুরের অজপাড়াগাঁ থেকে আনাচে- কানাচে, অলিতে-গলিতে, চায়ের স্টলে, দোকানে-রেস্তোরায়, ঈদ মার্কেটিং, বাজার-হাট, মাঠে-ঘাটে সর্বত্রই ঘুরেফিরে একটাই বিষয় “”কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক”” ??

সংবাদমাধ্যম, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সোশ্যাল ওয়ার্কারদের সমীক্ষায় দেখা গেছে গোটা উপজেলায় ঘুরে ফিরে সামনে এসেছে কমপক্ষে ৫ জন করিৎকর্মা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদের নাম।
আর এই ৫ জনের তালিকায় সর্বাগ্রে আছেন অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান খান। যিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও কর্মতৎপরতায় দীর্ঘদিন ধরে সামলাচ্ছেন মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এর নাম। যিনি মাগুরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বর্তমান জেলা বিএনপির প্রভাবশালী সদস্য।
এই তালিকায় ৩ নাম্বারে জায়গা করে নিয়েছেন, সর্বজন শ্রদ্ধেয় অধ্যক্ষ মইমুর আলী মৃধা। ৪ নম্বরে রয়েছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক আক্তারুজ্জামান বিল্লাহ, আর পাঁচ নম্বরে রয়েছে অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সোহেল এর মতো গুণী মানুষের নাম।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামান খান:

তিনি মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার শিরগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। দলীয়ভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ একাধিক পদ পদবীতে থেকে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সততা ও সাহসীকতার সাথে রাজনীতির দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে বর্তমানে তিনি মাগুরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক।। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট। মাগুরা জেলা উকিল বারের একাধিকবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সাথে। এসব দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রমাণ দিয়েছেন তাঁর যোগ্যতা দক্ষতা ও সততার। পেশায় আইনজীবী হওয়ায় মহম্মদপুর উপজেলার অধিকাংশ আইন সহায়তাকারীরা,তার মাধ্যমেই আইনের সহযোগিতার দ্বারস্থ হয়। অর্থের অভাবে তাঁর কাছ থেকে কোনো ব্যক্তি ফিরে এসেছেন, এমন কোনো ইতিহাস উকালতি জীবনে নেই। মূলত: মহম্মদপুর উপজেলাবাসীর জন্য এটাকে তিনি স্বেচ্ছা সেবামূলক আধিকারিক হিসেবেই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন বছরের পর বছর। শুধু তাই নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ড–শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সাথেও নিজেকে ওতপ্রতভাবে জড়িয়ে রেখেছেন। মসজিদ-মাদরাসা সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির শিক্ষাঙ্গন প্রতিষ্ঠার পিছনেও রয়েছে তাঁর অসামান্য অবদান। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরির একান্ত সহচর হিসেবে দীর্ঘদিন রাজনীতি করার সুবাদে পূর্ণাঙ্গ আস্থা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এরই ফলশ্রুতিতে কৃষক শ্রমিক ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক ইমাম মোয়াজ্জিম হিন্দু সম্প্রদায় পুরোহিত ও সুধি মহলের মুখে মুখে এখন এড. রোকনুজ্জামান খান এর নাম।

অধ্যক্ষ মতিউর রহমান:

তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক। দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনৈতিক জীবনে সর্বোচ্চ মাগুরা জেলা বিএনপির আহবায়কের (সাবেক) দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া আমিনুর রহমান ডিগ্রী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হওয়ার সুবাদে তাঁর অসংখ্য ছাত্রছাত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তরে আজ স্ব স্ব পদে প্রতিষ্ঠিত। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সকল অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের অগ্রজ সেনানায়ক হিসেবে তাখর নাম এই পদের জন্য অন্যতম দাবিদার।

অধ্যক্ষ মইমুর আলী মৃধা:

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি একজন সম্মুখ শ্রেণীর তুখোড় ছাত্রনেতা ও সাবেক উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমান জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্যর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন সংগ্রাম ও সততার মাধ্যমে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের আস্থাভাজন হাতে গোনা কয়েকজনের মধ্যে তিনি অনেকের দৃষ্টিতেই অগ্রগণ্য।

আখতারুজ্জামান বিল্লা:

সাবেক সফল ছাত্রনেতা ও বর্তমানে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক একজন সহজ সরল ও নির্লোভ প্রকৃতির মানুষ। পিতার আদর্শ ধারণ করা এই উদীয়মান নেতা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মহম্মদপুর উপজেলা বাজার বণিক সমিতির সদ্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পিতা ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
উপজের মানুষ তাঁর পিতার প্রতিচ্ছবি দেখেন তাঁর এই ছেলের মাঝে। বিধায় উপজেলা প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে অনেকের মাঝে মূখ্য আলোচনায়।

অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব খান সোহেল:

তিনি মহম্মদপুরের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের সন্তান। সাবেক ছাত্রনেতা ও মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক। তাঁর পিতাও ছিলেন একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ ও বিজ্ঞ আইনজীবী। পিতার আদর্শে আদর্শিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁকে সব সময় পাওয়া যায়। মাগুরা জেলা আইনজীবী এসোসিয়েশন (উকিল বার) এর যুগ্ম সম্পাদক পদে একাধিকবার তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশেষ করে ক্রীড়াঙ্গণ ও তরুণ সমাজের কাছে তিনি ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসকের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন।
সর্বোপরি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় অ্যাডভোকেট নিতাই রায়চৌধুরী সাহেবের পূর্ণাঙ্গ আস্থা অর্জনকারী এই ব্যক্তিত্ব পেতে পারেন এই উপজেলা প্রশাসকের গুরুদায়িত্ব এমনটিই অভিমত অনেকের।

এখন শুধু দেখার পালা কার ভাগ্যে আছে মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসকের এই গুরুত্বপূর্ণ পদ। এলাকার সকল মানুষ অধির আগ্রহে অপেক্ষারত সেই মাহেন্দ্রক্ষণের।৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page