নাবালক–নাবালিকা বিয়ে পড়ানো, কাগজপত্রে অনিয়ম ও জোরপূর্বক বিবাহের অভিযোগ
মাদারীপুর প্রতিনিধি:
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও কুনিয়া ইউনিয়নের বিবাহ রেজিস্ট্রার কাজী জাফরের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ উঠছে। শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত থাকা সত্ত্বেও তিনি বিবাহ রেজিস্ট্রারের ক্ষমতা ব্যবহার করে নাবালক ও নাবালিকাদের বেআইনিভাবে বিয়ে পড়ান বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগকারীদের দাবি, কাজী জাফর অনেক ক্ষেত্রে বিবাহের বৈধ কাগজপত্র যাচাই না করেই বিয়ে সম্পন্ন করেন। এমনকি গার্জিয়ান বা অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়াই জোরপূর্বক বিবাহের ঘটনাও একাধিকবার ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এরইমধ্যে এক নাবালক ভুক্তভোগী সশরীরে সাংবাদিকদের কাছে উপস্থিত হয়ে ভিডিও বক্তব্যে কাজী জাফরের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক বিয়ে পড়ানোর অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, তার সম্মতি বা আইনানুগ অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়াই তাকে বাধ্যতামূলকভাবে বিয়ে পড়ানো হয়, যা শিশু বিবাহ নিরোধ আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ—বিবাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছেন, যা সামাজিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যও হুমকি সৃষ্টি করছে।