আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ডেস্ক:
ব্রাজিলের ক্লাব ফুটবলে তুলকালাম, এক ম্যাচেই ২৩ লাল কার্ড
ক্রুজেইরো-আতলেতিকো মিনেইরো ম্যাচে তুমুল সংঘর্ষের একটি মুহূর্ত। ছবি: এক্স
স্তাদিও গর্ভানাদোর মাগালিয়ায়েস পিন্তো। তবে স্থানীয়দের কাছে এই স্টেডিয়াম মিনেইরাও নামে পরিচিত।
এখন নিশ্চয় নামটা পরিচিত মনে হচ্ছে! মনে হওয়ারই কথা। এই মাঠেই যে ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধস্ত হয়েছিল স্বাগতিক ব্রাজিল! যা ফুটবল ইতিহাসের পাতায় ‘মিনেইরাজো’ নামে জায়গা করে নিয়েছে।
সেই স্টেডিয়ামেই প্রায় এক যুগ পর ঘটল আরেকটি বিরল, অপ্রত্যাশিত ঘটনা। কাম্পেয়োনাতো মিনেইরো টুর্নামেন্টের ফাইনালের শেষ দিকে তুমুল সংঘর্ষে জড়ালেন ক্রুজেইরো ও আতলেতিকো মিনেইরোর খেলোয়াড়রা। রেফারি মাথেউস দেলগাদো তাই দেখালেন ২৩টি লাল কার্ড!
বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বল দখলকে কেন্দ্র করে হুট করে বদলে গিয়েছিল পরিস্থিতি। মারামারি, হাতাহাতি, লাথালাথি, ঘুষাঘুষি…কী হয়নি মাঠে!
কাম্পেয়োনাতো মিনেইরোর ফাইনালে আতলেতিকো মিনেইরোকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ক্রুজেইরো।
শিরোপা জেতা এই দলটার কোচ আবার কে, জানেন? সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্বে থাকা তিতে।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি আলগা বলের দখল নেওয়ার চেষ্টায় আতলেতিকো মিনেইরোর গোলকিপার এভেরসনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় ক্রিস্তিয়ানের। পরে ক্রুজেইরো মিডফিল্ডারকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এভেরসন।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন আতলেতিকো মিনেইরোর গোলকিপার এভেরসন।
ছবি: এক্স
এরপর ক্রিস্তিয়ানের সতীর্থরা ছুটে এসে এভেরসনের সঙ্গে তর্কে জড়ান। মিনেইরোর খেলোয়াড়রাও ছুটে এলে মারামারি বেঁধে যায় দুই দলের মধ্যে। তাদের ছাড়াতে বেশ বেগ পেতে দেখা যায় নিরাপত্তা কর্মীদের। সংঘর্ষে সবচেয়ে বেশি আঘাত পেয়েছেন এভেরসন।
ম্যাচ শেষে মিনেইরো ফরোয়ার্ড হাল্ক স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এই ঘটনায় জন্য ক্ষমা চেয়েছেন, ‘এটা দুঃখজনক।
কোনো ফুটবল ম্যাচে এই ধরনের সংঘাত এর আগে দেখিনি। আমরা উদাহারণ স্থাপন করতে পারি না। কারণ এতে সারা দুনিয়ায় নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। নিজেদের ভাবমূর্তি এবং এই ক্লাবের ভাবমূর্তি রক্ষার দায়িত্ব আমাদের কাঁধে।’