• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
Headline
বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারি পংকজ কুমার দেবনাথের ভাই BRTA ঢাকামেট্রো-৩ এর ‘ছায়া সম্রাট’ সুব্রত কুমার দেবনাথ বহাল এখনো ???  একপেশে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন সততা, নিষ্ঠা আর দায়িত্বশীলতার পুরষ্কার রুখে দেওয়া যায় না জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নতুন আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে’–চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত নেতা জুবায়ের বেনাপোল বন্দরে নথিপত্রহীন পণ্য জব্দের পর পাচার, অভিযুক্ত শেড ইনচার্জ আবুল খায়ের,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাইদুল,আনোয়ার ও রাসেল এখনো বহাল তবিয়তে রংপুরে ‘লাক্সারি চাইনিজ অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এর যাত্রা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব অনুষ্ঠিত ইউএনও রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে পোরশা মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নকলনবীশ এনামুল আওলাদ আয়নাল আকিবদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ

সেনা হেফাজতে নিহত বিএনপি নেতা ডাবলু!তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সিআইডির ডিআইজি

আজাদ হোসেন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার: / ৩৩ Time View
Update : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে নিহত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু হত্যা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিআইডির খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ডিআইজি মোহাম্মদ হাসান বারী নূর। আজ সোমবার (২৯ জুন) বেলা আড়াইটার দিকে তাঁর নেতৃত্বে সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল জীবননগরে পৌঁছে ডাবলুকে আটক করার স্থান এবং যেখানে তাঁকে আটকে রাখা হয় সেসব স্থান পরিদর্শন করে।

এছাড়া উক্ত ঘটনার বিষয়ে তথ্য ও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
এ সময় নিহত শামসুজ্জামান ডাবলুর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান কবীর, সহসভাপতি তাজুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দিন, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়েন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি রাতে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের একটি দল জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে (৫২) কে তুলে নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। ডাবলুর মৃত্যুর খবর পেয়ে রাত থেকে হাসপাতালের সামনে অবস্থা নিয়ে নিহতের মরদেহ আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন কয়েক হাজার দলীয় নেতাকর্মী। পরের দিন দুপুরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের কাছে থেকে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি তুলে নেয় বিক্ষোভকারীরা। অতপর মরদেহ চুয়াডাঙ্গায় ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়।
ডাবলুর মরদেহের ময়নাতদন্তে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখিত আঘাতের চিহ্নগুলোর সঙ্গে মরদেহে পাওয়া দাগের মিল পাওয়া গেছে এবং সেগুলো পরস্পরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।


এ ঘটনায় দীর্ঘ ৫ মাস পর গত ১৯ জুন আদালতে ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের তৎকালীন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফাহাদকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া, যাঁর হেফাজতে ডাবলুর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ, সেই ক্যাপ্টেন সৌমিকসহ আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে। যদিও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ডাবলুর পরিবার।
নিহত ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, “আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটি মাসুম সন্তানকে এতিম করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।”
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সিআইডির উচ্চপর্যায়ের এই ঘটনাস্থল পরিদর্শনকে মামলার অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

আজাদ হোসেন/চুয়াডাঙ্গা ০১৭১১-২১৭৩৯০


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা