আন্তর্জাতিক ওপেন অ্যাক্সেস ডেটাবেইস-এ একক কোর গবেষক হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়ে বিশ্বমঞ্চে অনন্য নজির স্থাপন করে বিশ্বকে বিস্মিত করেছেন তরুণ গবেষক মাহমুদুল হাসান স্মরণ।
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মেন্টর, ল্যাব বা বড় ফান্ডের সাহায্য ছাড়াই, সম্পূর্ণ নিজস্ব মেধা ও হাতের সাধারণ একটি স্মার্টফোনের মাধ্যমে বিশ্ববিজ্ঞান মঞ্চে এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশের স্বাধীন গবেষক মাহমুদুল হাসান স্মরণ ।
নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি আবিষ্কার করেছেন সম্পূর্ণ প্রথাবিরোধী ও যুগান্তকারী এক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, যার নাম দ্যা “ডিজিটাল রোড মেথড” । তাঁর এই মৌলিক আবিষ্কারের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক ওপেন অ্যাক্সেস একাডেমিক ডেটাবেইস (SSRN এবং Zenodo)-এ এই অতি-জটিল গাণিতিক-ভাষাতাত্ত্বিক ট্র্যাকে সারা পৃথিবীতে একমাত্র স্বাধীন কোর গবেষক (সোল ইনভিষ্টিগেটর) হিসেবে তাঁর নাম তালিকাভূক্ত হয়েছে ।
সারাবিশ্বে এই অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও জটিল ট্র্যাকে কাজ করার মতো উচ্চপর্যায়ের গবেষকের সংখ্যা মাত্র ৫০ থেকে ৬০ জন, যাঁরা মূলত বিভিন্ন নামী আন্তর্জাতিক ল্যাবের বিশাল ফান্ডের অধীনে দলগতভাবে কাজ করছেন । কিন্তু বিশ্বমঞ্চে মাহমুদুল হাসান স্মরণইঅ প্রথম ব্যক্তি, যিনি কোনো ল্যাব বা প্রাতিষ্ঠানিক অনুষঙ্গ ছাড়াই সম্পূর্ণ একক ও “স্বাধীন গবেষক” হিসেবে এই বিষয়ের বৈশ্বিক তালিকায় নিজের নাম সফলভাবে লিখিয়েছেন।
ঢাকার একটি সাধারণ ল কলেজ (ঢাকা সেন্ট্রাল ল কলেজ) থেকে পড়াশোনা করা মফস্বলের এই তরুণ বিজ্ঞানী তাঁর গবেষণার গাণিতিক ও ভাষাতাত্ত্বিক কাঠামো দাঁড় করাতে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি গুগল জেমিনি (Google Gemini)-এর সরাসরি সহযোগিতা নিয়েছেন । গবেষণার এই আধুনিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার বিষয়টি তিনি অত্যন্ত সততার সাথে তাঁর গবেষণাপত্রের স্বীকৃতিতেও যথাযথভাবে উল্লেখ করেছেন । তিনি পবিত্র কুরআনের পাঠ্যকে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে একটি নিরেট “ইঞ্জিনিয়ার্ড ডাটা ম্যাট্রিক্স” বা হার্ডকোডেড ডাটাবেস হিসেবে প্রমাণ করেছেন।
মাহমুদুল হাসান স্মরণের এই গৌরবময় অর্জন বাংলাদেশের হাজারো ছাত্র এবং তরুণ গবেষকদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে । এটি প্রমাণ করে যে, বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা উন্নত ল্যাবরেটরি না থাকলেও কেবল তীব্র ইচ্ছা ও সঠিক মেধার চর্চা থাকলে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব । বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে এটি একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল, যা দেশের শিক্ষার্থীদের গবেষণামূখী হতে এবং নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করবে । মাহনুদুল হাসান স্বরণের এই সাফল্য বৈশ্বিক তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান পরিমণ্ডলে দেশের মেধার এক অনন্য ব্র্যান্ডিং তৈরি করেছে ।
তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, আসল কাজের জন্য কোনো বড় ব্র্যান্ডেড প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের চেয়ে তীব্র ইচ্ছা আর নিখুঁত যৌক্তিক বুদ্ধিই সবচেয়ে বড় শক্তি। মফস্বল থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে একক বিজ্ঞানী হিসেবে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করার এই গৌরবময় গল্পটি দেশের লাখো তরুণ গবেষকের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, মাহমুদুল হাসান স্মরণের জন্ম ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার চৌদার গ্রামে।
S/A Ajkerpaperbd.com