• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
Headline
গঙ্গাচড়ায় পিআইও এর যোগসাজশে সরকারি শুকনো খাবার পাচারের অভিযোগ দেবিদ্বারে আন্তর্জাতিক পাচারকারী চক্রের হদিস: প্রবাসী সাদ্দামকে কম্বোডিয়ায় জিম্মি করে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা আদায় অপপ্রচার ও মানহানী করায় ৪ জনকে আসামী করে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করলো মানব কল্যাণ পরিষদ চেয়ারম্যান মান্নান ভূঁইয়া মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: মুখোমুখি লড়াইয়ে হুতি ও সরকারি বাহিনী, সৌদিতেও হামলা ফিল ফোডেনের লাল কার্ড: আসলে দোষী কে?  ঘুষ-দুর্নীতির ভারে ভারাক্রান্ত রাবিপ্রবি,সমালোচনায় সাবেক ভিসি আতিয়ার রহমান সেবার নামে প্রহসন,১৫ মাসে সাড়ে ৭ হাজার মামলা, আড়াই কোটি টাকা আয় পদ্মা ব্যারেজের পিডি নিয়োগে ‘হাসান মাহমুদ’ কেন? নেপথ্যে কার সুপারিশ?? গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে বীরশ্রষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে বিজিবির শ্রদ্ধা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের উপস্থিতিতে জন্মদিন উদযাপন করলেন আরিফ খান

গঙ্গাচড়ায় পিআইও এর যোগসাজশে সরকারি শুকনো খাবার পাচারের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় জরুরী ত্রাণ সহায়তার জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি শুকনো খাবার পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

গত সোমবার (১৪ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি সকল অফিস বন্ধ হওয়ার পর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা( পিআইও) নিজ অফিস খোলা রেখে মোঃ মাইদুল ইসলাম তার নিজ ক্ষমতা বলে কাউকে জানতে বুঝতে না দিয়ে নিজের আত্মীয়কে ডেকে উপজেলা অফিসার্স কল্যাণ ক্লাবের স্টোর রুম থেকে মাইক্রো যোগে জরুরী ত্রাণ কার্যক্রমের শুকনো খাবার পাচার করেছেন বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায় পাচারকৃত বস্তার ভিতরে চাল ১০ কেজি,দেশী মসুর ডাল ১ কেজি,আয়োডিনযুক্ত লবণ ১ কেজি,চিনি ১ কেজি, সয়াবিন তেল ১ লিটার, ,মরিচের গুঁড়া ১০০ গ্রাম, হলুদ ২০০ গ্রাম, ধুনিয়া গুড়া ১০০ গ্রাম। যার মোট ওজন ১৪.৩৫ কেজি। শুকনো খাবার পাচারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে ।

যার মাধ্যমে সরকারি শুকনো খাবার পাচার করা হয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম সরকারি শুকনো খাবারের কোনো বিতরণ রেজিষ্টরে ছিল কি না, সেটি জানতে চাইলেও পিআইও কোন তথ্য দিতে রাজি হন নাই ।

এ বিষয়ে পিআইও মাইদুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, “আমি কিছু বলবো না। ইউএনওকে জিজ্ঞেস করেন। ইউএনও কি কালোবাজারে বিক্রি করতে বলছে ?” এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিরব থাকেন।
পিআইও কার্যালয়ে ২৭৫ বস্তা শুকনো খাবারের বরাদ্দ ও বিতরণসংক্রান্ত নথি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা কোনো তথ্য দেখাতে পারেননি । বিতরণের মাস্টাররোলসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলেও তিনি কোন সদুত্তর দেয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার বলেন, “যার দপ্তর, তার কাছে জিজ্ঞেস করেন। যদি অভিযোগ সত্য হয়, বিষয়টি জেলা কর্মকর্তা তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা গোলাম
কিবরিয়া বলেন, “যেহেতু স্থানীয় প্রশাসন ইউএনও। তিনি বিষয়টি দেখবেন।”

একই বিষয়ে রংপুর জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখতেছি।”

সচেতন মহল বলছেন, গরিব-দুঃস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের দেয়া হয়েছে কি না? ২৭৫ বস্তার কতটুকু বিতরণ হয়েছে? কারা পেয়েছেন? এসব বিষয় সরকারি নথি যাচাই পূর্বক তদন্তের মাধ্যমে সকলের নজরে আসা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা