• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
Headline
বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা, ধর্ষণের অভিযোগে আদালতকর্মী অভিযুক্ত বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারি পংকজ কুমার দেবনাথের ভাই BRTA ঢাকামেট্রো-৩ এর ‘ছায়া সম্রাট’ সুব্রত কুমার দেবনাথ বহাল এখনো ???  একপেশে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন সততা, নিষ্ঠা আর দায়িত্বশীলতার পুরষ্কার রুখে দেওয়া যায় না জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নতুন আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে’–চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত নেতা জুবায়ের বেনাপোল বন্দরে নথিপত্রহীন পণ্য জব্দের পর পাচার, অভিযুক্ত শেড ইনচার্জ আবুল খায়ের,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাইদুল,আনোয়ার ও রাসেল এখনো বহাল তবিয়তে রংপুরে ‘লাক্সারি চাইনিজ অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এর যাত্রা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব অনুষ্ঠিত ইউএনও রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে পোরশা

কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে ঘুষ বাণিজ্য, আলোচনায় সাইফুল-হেলাল চক্র

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার ও ঢাকা:., / ৯৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ঢাকার সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ বাণিজ্য, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম ও হেলাল উদ্দিন একসঙ্গে সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সেবা প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ভূমি মালিক ও সাধারণ সেবা গ্রহীতারা।

প্রায় ১৫ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস সাভার উপজেলায়। মোট ২১৮টি মৌজার মধ্যে অধিকাংশ মৌজার বিডিএস কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বড় বরদেশী মৌজাসহ কয়েকটি মৌজার চলমান কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে বাড়ছে অভিযোগ ও অসন্তোষ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমে বেঞ্চ সহকারী হেলাল উদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম একটি সংঘবদ্ধ চক্র হিসেবে কাজ করছেন। তারা জমির পরিমাণ, খতিয়ান, শুনানি কিংবা রেকর্ড সংশোধনের বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মামলা ঝুলিয়ে রাখা, বারবার তারিখ দেওয়া, জমি কর্তনের ভয় দেখানো এবং নানা ধরনের হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সেবা প্রত্যাশীরা জানান, অফিসের ভেতরে সরাসরি লেনদেন না করে বাইরে দালাল ও পরিচিত লোকজনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের “ম্যানেজ” করার কথা বলে বাদী-বিবাদীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, হেলাল উদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম একে অপরের সমন্বয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করেন।

একাধিক ভূমি মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অধিকাংশ সেবা গ্রহীতা স্থানীয় না হওয়ায় ভয়ভীতি দেখিয়ে সহজেই তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুরু হয় নানা জটিলতা ও হয়রানি।

এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অফিস সময়ের পরও কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন মৌজার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও শুনানিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে।

ভূমি মালিকদের দাবি, সেটেলমেন্ট অফিসে সেবা নিতে এসে যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সরকারের ভূমি সেবা ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।।

সচেতন মহল বলছে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে সেটেলমেন্ট অফিসে দালাল ও সিন্ডিকেট নির্ভর কার্যক্রম বন্ধে কার্যকর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা