• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
Headline
‎বিজিবির অভিযানে চেকপোষ্টে প্রায় ২ লক্ষ টাকার ভারতীয় কসমেটিক্স সামগ্রী আটক চুয়াডাঙ্গায় আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আলোকিত নারী উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন বেনাপোলের ৫ শতাধিক নারী আমড়াখালী চেকপোষ্ট থেকে ১ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার অবৈধ মালামাল আটক গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে হাজারো দুর্নীতি, মাস্টারমাইন্ড সাব-রেজিস্ট্রার মামুন ও নকলনবিশ গিয়াস দর্শনা রেলবাজার দোকান মালিক সমিতির কার্যালয়ের উন্নয়নে অর্থ সহায়তা দিলেন বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মশিউর ‎মণিরামপুরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, নির্মাণাধীন ভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার নরসিংদীর এলজিইডি এক্সচেঞ্জ মোহাম্মদ ফুলকাম বাদশার বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য ও ঠিকাদারী সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ  বেনাপোল জুড়ে ৩৭০ টাকার সিকারেট বিক্রি হচ্ছে ৪২০ টাকায়,দিশেহারা ভোক্তারা শেরপুরে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ শেষে সনদ বিতরণ

কোন সিগারেটের দাম কত দাঁড়ালো

আজাদ হোসেন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার:  / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে স্তরভেদে প্রতিটি সিগারেটের দাম ২০ পয়সা থেকে আড়াই টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে, দেশে খুচরা পয়সার প্রচলন না থাকায় প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি সিগারেটের দাম বাড়বে এক টাকা থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১১ই জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন তিনি।

প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সমন্বয় বিবেচনায় নিয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যমস্তর ৯২ টাকা, উচ্চস্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থাৎ সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় নিম্নস্তরে ৬০ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

নিম্নস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে নেভি, রয়েল ও ডার্বি। এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলেও প্রকৃতপক্ষে বাজারে বাড়বে এক টাকা। এতে এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াবে ৭ টাকায়।

মধ্যস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যামেল ও লাকি। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম বর্তমানে ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে প্রতিটির দাম এক টাকা ২০ পয়সা বাড়ছে। এতে প্রতিটি সিগারেটের দাম ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ার কথা। যদিও প্রকৃতপক্ষে বাজারে প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১০ টাকায়।

দেশে উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে গোল্ড লিফ। আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে উচ্চস্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম দাঁড়াচ্ছে ১৬ টাকা।

অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনসন অ্যান্ড হেজেস। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে দাঁড়াবে ২১ টাকায়।

জানতে চাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক সুশান্ত সিনহা বলেন, কর না বাড়িয়ে যেভাবে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো বিশাল মুনাফা করার সুযোগ পাবে। দেশের মোট সিগারেটের ৬০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেট, যেখানে শলাকাপ্রতি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশে তো খুচরা পয়সার চল নেই, তাই একটা সিগারেট ৬ টাকা ২০ পয়সা দাম হলেও ভোক্তাদের গুনতে হবে ৭ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শলাকায় ৮০ পয়সা বাড়তি নিলে নিম্নস্তরের ৪ হাজার কোটি শলাকায় ভোক্তাদের পকেট থেকে যাবে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তাই কোম্পানির মুনাফা লাভের এই প্রস্তাব মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা