• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
Headline
ঘুষ-দুর্নীতির ভারে ভারাক্রান্ত রাবিপ্রবি,সমালোচনায় সাবেক ভিসি আতিয়ার রহমান সেবার নামে প্রহসন,১৫ মাসে সাড়ে ৭ হাজার মামলা, আড়াই কোটি টাকা আয় পদ্মা ব্যারেজের পিডি নিয়োগে ‘হাসান মাহমুদ’ কেন? নেপথ্যে কার সুপারিশ?? গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে বীরশ্রষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে বিজিবির শ্রদ্ধা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের উপস্থিতিতে জন্মদিন উদযাপন করলেন আরিফ খান রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে বারবার হামলা, পুলিশের পক্ষপাতের অভিযোগ এমপি নোমানের অনুষ্ঠানে সাংবাদিককে শাসালেন বিএনপি নেতা রাসেল বেরোবিতে নির্মাণসামগ্রীর ট্রাক আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদকাসক্ত গ্যাং স্টারদের টার্গেটে এবার বৃদ্ধা রাবেয়া

কোন সিগারেটের দাম কত দাঁড়ালো

আজাদ হোসেন, সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার:  / ১১৯ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সব ধরনের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে স্তরভেদে প্রতিটি সিগারেটের দাম ২০ পয়সা থেকে আড়াই টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে, দেশে খুচরা পয়সার প্রচলন না থাকায় প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি সিগারেটের দাম বাড়বে এক টাকা থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১১ই জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন তিনি।

প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সমন্বয় বিবেচনায় নিয়ে তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যমস্তর ৯২ টাকা, উচ্চস্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থাৎ সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকায় নিম্নস্তরে ৬০ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্যমস্তরে ৮০ টাকা থেকে ১২ টাকা বাড়িয়ে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

নিম্নস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে নেভি, রয়েল ও ডার্বি। এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হলেও প্রকৃতপক্ষে বাজারে বাড়বে এক টাকা। এতে এসব সিগারেটের প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াবে ৭ টাকায়।

মধ্যস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যামেল ও লাকি। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম বর্তমানে ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯২ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে প্রতিটির দাম এক টাকা ২০ পয়সা বাড়ছে। এতে প্রতিটি সিগারেটের দাম ৯ টাকা ২০ পয়সা হওয়ার কথা। যদিও প্রকৃতপক্ষে বাজারে প্রতিটির দাম বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১০ টাকায়।

দেশে উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে গোল্ড লিফ। আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে উচ্চস্তরের ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বনিম্ন মূল্য ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম দাঁড়াচ্ছে ১৬ টাকা।

অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডন্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে বেনসন অ্যান্ড হেজেস। এর ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি শলাকা সিগারেটের দাম বেড়ে দাঁড়াবে ২১ টাকায়।

জানতে চাইলে তামাক নিয়ন্ত্রণ গবেষক সুশান্ত সিনহা বলেন, কর না বাড়িয়ে যেভাবে সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে তাতে বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানিগুলো বিশাল মুনাফা করার সুযোগ পাবে। দেশের মোট সিগারেটের ৬০ শতাংশই নিম্নস্তরের সিগারেট, যেখানে শলাকাপ্রতি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়ানো হয়েছে। দেশে তো খুচরা পয়সার চল নেই, তাই একটা সিগারেট ৬ টাকা ২০ পয়সা দাম হলেও ভোক্তাদের গুনতে হবে ৭ টাকা। অর্থাৎ প্রতি শলাকায় ৮০ পয়সা বাড়তি নিলে নিম্নস্তরের ৪ হাজার কোটি শলাকায় ভোক্তাদের পকেট থেকে যাবে ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তাই কোম্পানির মুনাফা লাভের এই প্রস্তাব মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা