চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নে মাদক সেবনরত অবস্থায়ম স্থানীয় জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৩ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর ১টার দিকে নাগদাহ ইউনিয়নের বলিয়ারপুর এলাকায় কয়েকজন যুবক প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় জনগণ তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। এ সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে খবর পেয়ে ঘোলদাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং আটককৃতদের পুলিশের হেফাজতে নেন।
পরবর্তীতে বেলা ৪টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তিনি আটককৃত ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন বলিয়ারপুর দমদমা হাসিবুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩২) কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারায় ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়। নাগদাহ ফিল্টারপাড়া আব্দুস সাত্তারের ছেলে তোতা (২৮) কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা এবং খাসকররা ইউনিয়নের তিয়ারবালা গ্রামের মানাহারে ছেলে সবুজ (২৫)কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত রায় ঘোষণার পর আটককৃতদের পুলিশের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও জানা যায় মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর ও তোতার পরিবার এ ঘটনার পরে বিভিন্ন মাধ্যমে স্থানীয়দের হুমকি ধামকি দিচ্ছে এ নিয়ে এলাকায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।