• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
Headline
ঘুষ-দুর্নীতির ভারে ভারাক্রান্ত রাবিপ্রবি,সমালোচনায় সাবেক ভিসি আতিয়ার রহমান সেবার নামে প্রহসন,১৫ মাসে সাড়ে ৭ হাজার মামলা, আড়াই কোটি টাকা আয় পদ্মা ব্যারেজের পিডি নিয়োগে ‘হাসান মাহমুদ’ কেন? নেপথ্যে কার সুপারিশ?? গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে বীরশ্রষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে বিজিবির শ্রদ্ধা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের উপস্থিতিতে জন্মদিন উদযাপন করলেন আরিফ খান রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে বারবার হামলা, পুলিশের পক্ষপাতের অভিযোগ এমপি নোমানের অনুষ্ঠানে সাংবাদিককে শাসালেন বিএনপি নেতা রাসেল বেরোবিতে নির্মাণসামগ্রীর ট্রাক আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদকাসক্ত গ্যাং স্টারদের টার্গেটে এবার বৃদ্ধা রাবেয়া

বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা, ধর্ষণের অভিযোগে আদালতকর্মী অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর / ১২৪ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, ধর্ষণ, তথ্য গোপন করে বিয়ে এবং আর্থিকভাবে প্রতারণার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রোকসানা আক্তার নামে এক নারী। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরে ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে রোকসানা আক্তার বলেন, রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ালকুটি ইউনিয়নের চাপড়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি। ২০২০ সালে একটি পারিবারিক মামলার সূত্রে রংপুর আদালতে মাসুদ রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। অভিযুক্ত নিজেকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্টাফ পরিচয় দিয়ে মামলায় সহযোগিতা ও অনুকূল রায় পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। সেই বিশ্বাসে তিনি বিভিন্ন সময়ে তার কাছে অর্থ প্রদান করেন, যা পরে প্রতারণা বলে বুঝতে পারেন বলে দাবি করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মাসুদ রানা তার পূর্বের বিবাহ ও দুই সন্তানের বিষয়টি গোপন রেখে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে রংপুর নগরীর মুলাটোল এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এরপর দীর্ঘদিন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ভোগ করেন।

রোকসানার দাবি, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী ১০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করার পর অভিযুক্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ সময় ঢাকায় চাকরিরত অবস্থায় তিনি নিয়মিত নিজের বেতন-ভাতার অর্থ স্বামীর বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, বিয়ের পর একাধিকবার কাবিননামা চাইলেও তা পাননি। পরে সংশ্লিষ্ট কাজীর কাছ থেকে কাবিননামা সংগ্রহ করে জানতে পারেন, অভিযুক্তের আগের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে, যা শুরু থেকেই তার কাছে গোপন রাখা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে রোকসানা অভিযোগ করেন, আইনগত ও সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অভিযুক্তের পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। এছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মাসুদ রানা মামলা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকেও অর্থ গ্রহণ করে প্রতারণা করেছেন। এসব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, রোকসানা আক্তারের পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা