আমার প্রতিনিধি জানালো বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান টুটুল সাংবাদিকের বহিস্কার নিয়ে একটা নিউজ করবো, আমি বললাম করেন, তবে সঠিক তথ্য নিয়ে করতে হবে। কিন্তু আমার প্রতিনিধি বহিস্কারের সঠিক তথ্য খুঁজে পাননি। তিনি জানালেন রফিক মাস্টার আগে থেকেই মহম্মদপুর প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার, কারণ সরকারের আইন অনুযায়ী কোন শিক্ষক এবং সরকারি চাকুরীজিবী অন্য কোন পেশায় থাকতে পারবে না। যার ফলে ইউনুস সরকারের আমলে ৪/৫ জন মহম্মদপুর প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কার)) হন। আর সেই বহিষ্কৃতরা যদি রেজুলেশন না করে বাজার থেকে সাদা কাগজ কিনে এনে তাতে লিখে পড়ে যদি সভাপতিকে বহিষ্কার করেন তাহলে কি সেই বহিষ্কার হবে? না মোটেই না।
মানলাম সভাপতি টুটুল খারাপ, তিনি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ আরো অনেককে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন, তারজন্য জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দলের একাংশ প্রেসক্লাব সভাপতি টুটুলের বিরুদ্ধে মিছিল মিটিং করছেন, তা ছাড়া দেশে আইন আছে তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলাও করা যায়, কিন্তু বহিস্কৃত ব্যাক্তিরা কীভাবে মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি টুটুলেকে বহিষ্কার করে? বহিষ্কার করতে চাইলে সঠিক ধারায় করুন। তবে উলটপালট করলে তো হবে না।
বিষয়টি জানার পর আমি তখন বুঝলাম “ডাল মে কুচ কালা হে”। তার মানে বুঝা গেলো সভাপতি বহাল, আর মাঝখানে মাহমুদুন নবী ডাবলুকে ইস্কাপনের টিক্কা বানিয়ে তার মান- ইজ্জত নিয়ে টানাটানি করা হচ্ছে।
ভুল বললে মাপ করবেন।
লেখক
সম্পাদক ও প্রকাশক
জাতীয় দৈনিক
খবর বাংলাদেশ।।

