• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
Headline
ঘুষ-দুর্নীতির ভারে ভারাক্রান্ত রাবিপ্রবি,সমালোচনায় সাবেক ভিসি আতিয়ার রহমান সেবার নামে প্রহসন,১৫ মাসে সাড়ে ৭ হাজার মামলা, আড়াই কোটি টাকা আয় পদ্মা ব্যারেজের পিডি নিয়োগে ‘হাসান মাহমুদ’ কেন? নেপথ্যে কার সুপারিশ?? গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণে বীরশ্রষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে বিজিবির শ্রদ্ধা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের উপস্থিতিতে জন্মদিন উদযাপন করলেন আরিফ খান রংপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে বারবার হামলা, পুলিশের পক্ষপাতের অভিযোগ এমপি নোমানের অনুষ্ঠানে সাংবাদিককে শাসালেন বিএনপি নেতা রাসেল বেরোবিতে নির্মাণসামগ্রীর ট্রাক আটকে চাঁদাবাজির অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদকাসক্ত গ্যাং স্টারদের টার্গেটে এবার বৃদ্ধা রাবেয়া

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমকে জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির দাবি

মোঃ মামুন অর-রশীদ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: / ১১৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলার শতবর্ষী ঐতিহ্য, স্বাদ ও সুনামের প্রতীক ★★সূর্যপুরী★★ আমকে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। জেলার সচেতন নাগরিক, কৃষক, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্যোগে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, সূর্যপুরী আম ঠাকুরগাঁও জেলার একটি ঐতিহাসিক ও সুস্বাদু জাতের আম। জেলার অন্যান্য উপজেলার তুলনায় বিশেষ করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এ আমের উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। এর স্বতন্ত্র স্বাদ, সুগন্ধ, পাতলা আঁটি ও রসালো গুণাগুণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তবর্তী মধুপুরা গ্রামে অবস্থিত একটি সূর্যপুরী আমগাছ প্রায় দুই শতাধিক বছরের পুরোনো বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত। এই ঐতিহাসিক গাছটি দেখতে এবং এর ফলের বৈশিষ্ট্য জানতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পর্যটক ও গবেষক নিয়মিত পরিদর্শনে আসেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো অঞ্চলের মাটি, জলবায়ু, পরিবেশ ও স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের চর্চার মাধ্যমে যখন কোনো পণ্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, তখন সেটিকে ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical Indication-GI) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সূর্যপুরী আমও ঠাকুরগাঁওয়ের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় এটি জিআই স্বীকৃতির সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
জিআই স্বীকৃতি লাভ করলে সূর্যপুরী আমের ব্র্যান্ড মূল্য বৃদ্ধি পাবে, কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ফল সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
আবেদনকারীরা জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বহু কৃষিপণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমকেও জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে (DPDT) সূর্যপুরী আমের জিআই নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক ও সচেতন মহলের প্রত্যাশা, সূর্যপুরী আম জিআই স্বীকৃতি পেলে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি অর্থনীতি নতুন গতি পাবে এবং জেলার ঐতিহ্য বিশ্ব দরবারে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা