এছাড়া নিম্নমানের বালি ও পাথর দিয়ে ব্লক তৈরি করে কয়েক শত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ শওকত ইবনে সাহীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী রেডিমেড ঢালাইয়ের কথা থাকলেও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে এসব প্রকল্পে।
জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ না দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বেড়িবাঁধের ভেতরে জমি ঢুকিয়ে নেওয়া এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। আবার পতিত ও ডোবা নালা জমিকে ভিটা জমি, আর ভিটা জমিকে বাণিজ্যিক প্লট হিসেবে সাবমিট করে সরকারের কয়েকশো কোটি লুটে নেন পওর-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ ও তাঁর সিন্ডিকেট।

এই প্রজেক্টের আওতাধীন আবাদি জমি ও খাল খনন করে অপরিকল্পিতভাবে মাটি তুলে বাঁধ নির্মাণের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি ও কৃষিজমির অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই প্রকল্প গ্রহণ এবং রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় না করায় প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত ও ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ সংবাদ মাধ্যমকে বরাবর বলে আসছেন নির্মাণসামগ্রী (পাথর, বালি, সিমেন্ট) পরীক্ষা করে সন্তোষজনক মনে হলে বিল দেওয়া হয়েছে এবং ব্লকগুলো বুয়েটেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল।

তাই শর্ষের ভীতর যখন ভূত থাকে, তখন সেই ভূত ছাড়ানোর সাধ্য ওঝার প্রায়ই থাকেনা। ফলে প্রতিটি প্রজেক্টে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট বাণিজ্যের মাধ্যমে শওকত ইবনে সাহীদ কালো টাকার পাহাড় গড়ে তুললেও তাঁর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো শাস্তির রেকর্ড নেই। নেই দুদক এনফোর্সমেন্ট টিমের আকষ্মিক অভিযান। ফলে শত-শত কোটি টাকা লুটপাট করার পরও শওকত ইবনে সাহীদ রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে বহালতবিয়তে।।
এই সংবাদের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের প্রশ্নে মি. শওকত ইবনে সাহীদ এর বক্তব্য জানতে তাঁকে কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করাই তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।