গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত শামসুজ্জামান ডাবলু, জামায়াত নেতা দুই সহোদর হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
এরপর সেখানে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসাবে মঈন উদ্দীন ময়েন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এমপি টগর আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকে প্রধান প্রতিপক্ষ ভাবতো। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও নেতৃত্বকে দমিয়ে রাখতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিতো।
তিনি আরও বলেন, আমি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না। জীবননগরের মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো। জনগণের সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নেতা-কর্মীদের বিপদে আমি সবসময় এগিয়ে আসবো।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জীবননগর উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ, সদস্যসচিব সানোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তালেব, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, সারোয়ার হোসেন, মিঠু, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বদরউদ্দিন বাদল, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রাফিউল, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খাদেমুল ইসলাম খোকন, শ্রমিক নেতা রবগুল প্রমুখ।