• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
Headline
বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ স্বেচ্ছাসেবকলীগের সেক্রেটারি পংকজ কুমার দেবনাথের ভাই BRTA ঢাকামেট্রো-৩ এর ‘ছায়া সম্রাট’ সুব্রত কুমার দেবনাথ বহাল এখনো ???  একপেশে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন সততা, নিষ্ঠা আর দায়িত্বশীলতার পুরষ্কার রুখে দেওয়া যায় না জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নতুন আন্দোলনের পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে’–চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত নেতা জুবায়ের বেনাপোল বন্দরে নথিপত্রহীন পণ্য জব্দের পর পাচার, অভিযুক্ত শেড ইনচার্জ আবুল খায়ের,সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাইদুল,আনোয়ার ও রাসেল এখনো বহাল তবিয়তে রংপুরে ‘লাক্সারি চাইনিজ অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টার এর যাত্রা শুরু ঠাকুরগাঁওয়ে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব অনুষ্ঠিত ইউএনও রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে পোরশা মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নকলনবীশ এনামুল আওলাদ আয়নাল আকিবদের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির বিস্ফোরক অভিযোগ

চাঁদা না দেওয়ায় মামলার পর মামলা সাত বছরের কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা-ভূমি অফিসে তদন্তে মিলল না অবৈধ জমি দখলের প্রমাণ

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

রাসেল ইসলাম,বেনাপোল থেকেঃ-
যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলের ভবারবেড় গ্রামে বাড়ি নির্মাণে প্রতিবেশীর করা একাধিক মামলার কারণে ব্যবসায়ী মাসুম হোসেনের চলমান বাড়ির নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে শার্শা উপজেলার সহকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম এর হস্তক্ষেপে ব্যবসায়ী মাসুম হোসেন নির্বিঘ্নে তার বাড়ি কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, প্রতিহিংসাবশতি প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টায় প্রতিবেশী মাসুমের নামে একাধিক মামলা করে।

স্থানীয়রা আরো জানায়, প্রায় সাত বছর আগে ভবারবেড় ৮৮ নম্বর মৌজার আরএস দাগ নং ৬১২-এর ৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন মাসুম হোসেন। তিন মাস আগে ওই জমিতে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করলে প্রতিবেশী সাইফুল ইসলাম আদালতে মিথ্যা মামলা করে নির্মাণকাজ স্থগিত করে দেন। এ ঘটনায় মাসুমের পক্ষে আজ শার্শা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম বাড়ির করতে কোন বাধা নেই বলে জানান।

এদিকে আজ ৯ জুলাই শার্শা উপজেলা ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগ অনুযায়ী সরকারি জমির সঙ্গে মাসুম হোসেনের ক্রয়কৃত জমির কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি খাস জমির অংশ দীর্ঘদিন ধরে অন্য ব্যক্তিদের দখলে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট জমিতে বিবাদীপক্ষের কোনো অবৈধ দখলের প্রমাণ মেলেনি।

জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাসুম হোসেনের মানহানি এবং আর্থিক ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪, ১৪৫ ও ১৩৩ ধারাসহ বিভিন্ন আইনে একাধিক মামলা করা হয়েছে।

মাসুম হোসেন বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি কিনেছি। অথচ একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি আমার কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদাও দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আমি সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় চাঁদাবাজির একটি মামলা ও করেছি। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার ও চেয়েছি।”

অন্যদিকে সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “মাসুম হোসেন সরকারি জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্যই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।”

শার্শা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুম বলেন, বেনাপোল ৮৮ নম্বর ভবারবেড় মৌজায় একটি জমি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলে আসছে। সরেজমিনে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিকভাবে দুপক্ষকে বুঝিয়ে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। আর মাসুদ সাহেবের নির্মাণধীন বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বদিয়ে অভিযোগকারী সাইফুল যে গলি দিয়ে যাতায়াত করেন সে গলিটি আপাতত বন্ধ না কর উম্মুক্ত রাখার অনুরোধ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। অপরদিকে মাসুমের নির্মাণাধীন বাড়ির পশ্চিম পাশের বাড়ির পশ্চিম পাশের গা ঘেঁষে ১৯৬২ সালের ম্যাপ অনুযায়ী একটি রাস্তা রয়েছে। যেটা যাচাই-বাছাই শেষে রাস্তাটি বের করে এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা